তাঁর শেষ পরিচয় – পূর্ণতার সঙ্গে

আজ (কোন পঞ্জিকা মতে গতকাল) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুদিন। যে মানুষটি তাঁর ছোটবেলা থেকেই মৃত্যুর সঙ্গে পরিচিত হয়ে চলেছিলেন বারেবার, বহুবছর আগে এই দিনেই মৃত্যুর সঙ্গে তাঁর শেষ পরিচয়।     তাঁর জীবনের মত মৃত্যুর উপলব্ধি আর কারুর হয়েছে বলে জানা নেই। আশ্চর্য, তা সত্ত্বেও তাঁর পথচলা থামেনি। খুব ছোটবেলাতেই মাতা, মাতৃস্বরূপ বৌদি, বাবা, নিজের ছেলে, মেয়ে, […]

Read More তাঁর শেষ পরিচয় – পূর্ণতার সঙ্গে

প্রবাসে ‘প্রভাতে’র আলোর স্পর্শ

১৯৮৩ সাল। সেবছর জুন মাসে ভারতে দু দুটো বড় ঘটনা ঘটেছে, আমরা ইঞ্জিনীয়ার হয়েছি, আর কপিলের ভারত বিশ্বজয় করেছে। এক ‘নতুন প্রভাত’ জাগার সময় হয়েছে। ভাগ্যান্বেষণে আমরাও এসে পড়েছি ব্যাঙ্গালোরে। তখনো জানিনা, এখানে আমাদের জন্যেও এক ‘নতুন প্রভাত’ অপেক্ষা করছে। আমাদের অফিসে তখনো বাঙালীর সংখ্যা বেশী নয়। সেখানে সাত সাত খানি নব্য যুবার আবির্ভাব বেশ […]

Read More প্রবাসে ‘প্রভাতে’র আলোর স্পর্শ

আমার কলকাতা

যদিও আমার জন্ম কলকাতার একটি হাসপাতালে, কিন্তু আমার বড় হয়ে ওঠা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি মফঃস্বল শহরে যা কলকাতার থেকে মাত্র ১৫-১৬ কিলোমিটার দূরত্বে। কিছুদিন আগে অবশ্য সেটির পিন-কোড পরিবর্তিত হয়ে কলকাতার পিনে পরিণত হয়েছে, কিন্তু কলকাতাবাসীদের কাছে সেইসময় আমরা ‘দোখনো’ বলে পরিচিত হতাম। আর আমাদের বাল্যকালে না ছিল মিনিবাস, দূরপাল্লার বাস – না ছিল […]

Read More আমার কলকাতা

যাদবপুরের চারটি বছর – সংস্কৃতির গাছে ‘গোড়ার জল’

কলকাতার বুকেই এই রকম একটু উঁচুমানের প্রতিষ্ঠানে চার-চারটি বছর আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। হ্যাঁ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাই বলছি। সময়টা ছিল ১৯৭৯ – ১৯৮৩।

Read More যাদবপুরের চারটি বছর – সংস্কৃতির গাছে ‘গোড়ার জল’

মায়ের ‘মিত্তিরসাহেব’

       জীবনে চলার পথে অনেক মানুষই জীবনকে বৈচিত্র্যময় করে তোলেন। এরকম কিছু মানুষকে নিয়েই লিখেছি একটি স্মৃতিকথা – “যাঁদের আমি ছাত্র”! কিন্তু কিছু মানুষ থাকেন, বাবা, মা, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা – যাঁরা এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জীবনে জড়িয়ে থাকেন তাঁদের কথা লিখতে গেলে মনে পড়ে যায় সেই বিখ্যাত গানটি – Kisi ke itne paas ho Ke sab se […]

Read More মায়ের ‘মিত্তিরসাহেব’