ভরিল “সৌরভে”

  ১৯৯২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে আবির্ভাব হলেও তা একেবারেই মিলিয়ে গিয়েছিল বুদবুদের মত। কিন্তু ব্যাঙ্গালোরে বসেও নামটা শোনা হয়ে গিয়েছিল সেই ১৯৯০ সালেই। কারণ বাংলার রণজি ট্রফি জয়ের টীমে তরুণ সদস্য রূপে তিনি ছিলেন। কিন্তু ১৯৯২ সালে যখন গুজব ছড়ানো হয়েছিল যে ‘মহারাজ’ নাকি দ্বাদশ ব্যাক্তির দায়িত্ব পালনে অসম্মত হওয়াতে টীম ক্ষুব্ধ, তখন […]

Read More ভরিল “সৌরভে”

লুকিয়ে থাকা সংখ্যা

‘জীবনস্মৃতি’ তে ‘কবিতা-রচনারম্ভ’ অধ্যায়ে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন –                     “পদ্মের উপরে একটা কবিতা লিখিয়াছিলাম, সেটা দেউড়ির সামনে দাঁড়াইয়া উৎসাহিত উচ্চকণ্ঠে নবগোপালবাবুকে শুনাইয়া দিলাম। তিনি একটু হাসিয়া বলিলেন, “বেশ হইয়াছে, কিন্তু ঐ ‘দ্বিরেফ’ শব্দটার মানে কি।” ‘দ্বিরেফ’ এবং ‘ভ্রমর’ দুটোই তিন অক্ষরের কথা। ভ্রমর শব্দটা ব্যবহার করিলে ছন্দের […]

Read More লুকিয়ে থাকা সংখ্যা

সুনীল-স্মৃতি

        প্রায় চার দশকেরও আগে তাঁর লেখার সঙ্গে প্রথম পরিচয়। আনন্দমেলা পত্রিকা রূপে আত্মপ্রকাশ করার আগে সোমবারের আনন্দবাজারে একটি ছোট্ট আকারে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ পেত তাঁর একটি কিশোর উপন্যাস – “তিন নম্বর চোখ” ! আর দেব সাহিত্য কুটীরের শারদীয়া গুলিতে প্রকাশিত হত তাঁর একটি গ্রাম্য ছেলের নায়ক হওয়ার কাহিনী, তার ও নাম নীলু। “নীল দৈত্য, […]

Read More সুনীল-স্মৃতি

বাংলা সাহিত্য-নির্ভর চলচ্চিত্র – ‘আশার হাত বাড়াই’ – দ্বিতীয় পর্ব

[এই লেখার প্রথম পর্বে,  আমরা আলোচনা করেছি, বাংলা সাহিত্যভিত্তিক চলচ্চিত্রের গতিপ্রকৃতি নিয়ে। বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে দুটি অতি বিখ্যাত কাহিনি অবলম্বনে রচিত ছবি – ‘পরশপাথর’ ও ‘ঝিন্দের বন্দী’ ]

Read More বাংলা সাহিত্য-নির্ভর চলচ্চিত্র – ‘আশার হাত বাড়াই’ – দ্বিতীয় পর্ব

বাংলা সাহিত্য-নির্ভর চলচ্চিত্র – ‘আশার হাত বাড়াই’ – প্রথম পর্ব

——১—- গোড়ার কথা        যে কোন শিল্পীর শিল্পসৃষ্টির কাজে সহায়ক হয় তাঁর দুটি ভূমিকা যাকে বলা যেতে পারে যথাক্রমে ‘ঘর ও বাহির’। এখানে রাবীন্দ্রিক ভাবনার সূত্র ধরেই আমরা বলতে চাইছি, ঘর হল অন্তঃপ্রকৃতি, বাহির বিশ্বপ্রকৃতি। সব শিল্পীই, তিনি সাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্রকার বা সঙ্গীতশিল্পী যাই হোন না কেন এই দুই প্রকৃতির মিলন ঘটিয়ে থাকেন তাঁর […]

Read More বাংলা সাহিত্য-নির্ভর চলচ্চিত্র – ‘আশার হাত বাড়াই’ – প্রথম পর্ব

যাদবপুরের চারটি বছর – সংস্কৃতির গাছে ‘গোড়ার জল’

কলকাতার বুকেই এই রকম একটু উঁচুমানের প্রতিষ্ঠানে চার-চারটি বছর আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। হ্যাঁ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাই বলছি। সময়টা ছিল ১৯৭৯ – ১৯৮৩।

Read More যাদবপুরের চারটি বছর – সংস্কৃতির গাছে ‘গোড়ার জল’

মায়ের ‘মিত্তিরসাহেব’

       জীবনে চলার পথে অনেক মানুষই জীবনকে বৈচিত্র্যময় করে তোলেন। এরকম কিছু মানুষকে নিয়েই লিখেছি একটি স্মৃতিকথা – “যাঁদের আমি ছাত্র”! কিন্তু কিছু মানুষ থাকেন, বাবা, মা, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা – যাঁরা এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জীবনে জড়িয়ে থাকেন তাঁদের কথা লিখতে গেলে মনে পড়ে যায় সেই বিখ্যাত গানটি – Kisi ke itne paas ho Ke sab se […]

Read More মায়ের ‘মিত্তিরসাহেব’